খুলনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা জমেনি

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৯, ২২:১৫

খুলনায় ১৮তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধনের পর দু’সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখনো জমেনি। ফলে মেলায় আসা স্টল ও প্যাভিলিয়ন মালিকরা হতাশ হয়ে পড়ছেন। ইরানি পণ্যের আলাদা কদর থাকায় বাণিজ্য মেলায় এবার মেলামাইনের একটি স্টলও হয়েছে। প্রতিটি তাকে সাজানো হয়েছে ম্যালামাইন পেলেটসহ নানা ধরনের সামগ্রী।  স্টলের প্রতিনিধি ইব্রাহীম তালুকদার বলেন, ইরানি ফাইবার তাকে ট্রে, নুডুলস সেট, ফিন্নি সেট, প্লেটসহ নানা ধরনের পণ্য রাখা হয়েছে। মেলা উপলক্ষে ১০ শতাংশ ছাড় মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে পণ্য। কিন্তু কোনো ক্রেতা নেই। ফলে লাভ তো দূরের কথা আসল বাঁচাতেই পারছি না।

অভিজাত শাড়ির স্টল মিম জামদানি শাড়ির স্টলের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী জানান, তার স্টলে জামদানি শাড়ি রাখা হয়েছে ১৫শ’ থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের। আরো রয়েছে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি। দাম ৫শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা। তবে ক্রেতা আশানুরূপ না হওয়ায় তিনি হতাশ। তিনি বলেন, মেলায় যা বেচাবিক্রি হচ্ছে তাতে খরচের টাকা পর্যন্ত উঠছে না। এভাবে চলতে থাকলে লোকসানের মুখে পড়বেন। মেলায় হোম টেক্স প্যাভিলিয়নে বেড সিট, খেলনাসহ ২৪০ ধরনের আইটেম রয়েছে।

প্যাভিলিয়নের ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম সজিব বলেন, মেলা শুরু হয়েছে পনেরদিন হলো। এখনও ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থী বেশি। থ্রি পিসের প্যাভিলিয়ন রং বে রং-এর প্রতিনিধি এন আমিন জানান, তার প্যাভিলিয়নে ১শ’ ধরনের থ্রি পিস রয়েছে। ৮শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে থ্রি পিস। কিন্তু মেলায় বেচা বিক্রি হচ্ছে না। একটি প্যাভিলিয়নের পিছনে অনেক খরচ। সেই খরচের টাকা পর্যন্ত উঠছে না। বিগত বছরগুলোর মত এই বছরও মেলার আয়োজন করেছে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। এবার মেলা পরিচালনা করছে মেসার্স চামেলী ট্রেডার্স। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলছে। এবারও মেলার প্রবেশ মূল্য রাখা হচ্ছে ১৫ টাকা।

চামেলী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. রাসেল মিয়া জানান, মেলায় দর্শনার্থী বাড়লেও ক্রেতা এখনও বাড়েনি। তবে আগামী ২/৪ দিনের মধ্যে মেলা জমবে বলে তিনি আশাবাদী। গত ১৫ মার্চ সার্কিট হাউজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।