খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম বলেছেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশে এখন খাদ্য নিরাপত্তা বলয় তৈরী হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে। এই বিশাল অংকের খাদ্য ঘাটতি পূরণ করা গেলেও ২০০১ সালে বিএনপি, জামায়াত ক্ষমতায় এলে আবার খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। এখন আবার খাদ্য উদ্বৃত্ত। এমনকি বিদেশেও খাদ্য রফতানি করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকা কেজি দরে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে ৫০ লাখ পরিবারকে টানা ৫ মাস চাল বিতরণ করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে। দেশের খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা ২০২৫ সালের মধ্যে ২৭ লাখ মেট্রিক টন করা হবে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকায় ৫ লাখ পরিবারের মধ্যে নামমাত্র মূল্যে পারিবারিক সাইলো প্রদান করা হবে। এক একটি সাইলোতে ৭০ কেজি চাল সংরক্ষণ করা যাবে।
মন্ত্রী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের কৃষকের বন্ধু হিসাবে কাজ করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সদরের কাটাখালি বাজারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির ভাষণ দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, খাদ্য সচিব মোঃ কায়কোবাদ হোসেন, অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান, খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বদরুল হাসান, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক একেএম ফজলুল রহমান, খাদ্য কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি হুমায়ুন কবির এবং খাদ্য পরিদর্শক সমিতির সভাপতি আ. রহমান।
মন্ত্রী বলেন, সরকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে হতদরিদ্র ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসছে। এর আগের জরিপে এই সংখ্যা ছিল ১২ শতাংশ ।
ইত্তেফাক/এএন
