ক্ষণস্থায়ী আসামিদের কাউন্সিলিং

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৯, ২২:২৩

সাঈদ চৌধুরী

কিছুদিন আগে শ্রীপুর থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে গিয়ে কয়েকটি মোটরসাইকেলের সন্ধান পায় পুলিশ। আসামিদের খুব দক্ষতার সঙ্গে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরকম আরো ঘটনা রয়েছে—যার মধ্যে ইভটিজিং করার কারণে দেখা যায় এক মাসের জেল বা কিছু টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। চুরি করার দায়ে কিছুদিন কেউ কেউ জেল খেটে বের হয়ে আসে। এক বা দু বছর শাস্তি ভোগ করে কোনো কোনো আসামি বের হয়ে আসে জেল থেকে। যারা কম শাস্তি খেটে বের হয়ে আসে—তাদের দ্বারা কতটা সুরক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে সমাজের!

অনেক ঘটনা রয়েছে—যেখানে জেল থেকে বের হয়েই আবার অপরাধ করা শুরু করেছে। যাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে তাদের যতদিন আটকে রাখা হবে তারা অপরাধ-প্রবণতা থেকে বের হতে পারল কি না তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। শুধু শাস্তি হলো বা আটকে রাখা হলো—তাতেই সমাধান আসবে না। তাই প্রয়োজন আসামিদের কাউন্সিলিং এবং অপরাধ না করার নিশ্চয়তাপূর্বক তাকে মুক্তিদান অথবা জামিনের ব্যবস্থা করা। তবে অবশ্যই কাজ করার মানসিকতা অপরাধীদের মধ্যে ঢোকাতে পারলে অপরাধ কমানোর ক্ষেত্রে বড় সফলতা আসবে।

গাজীপুর