৭৩’র বিশেষ বিসিএস ব্যাচের মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের সনদ কেন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার আওতা বহির্ভূত রাখা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালককে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
সারাদেশে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই চলছে। এজন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১২ জানুয়ারি এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল জেলা ও মহানগরে কমিটি গঠন করে। এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই বাছাই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে জামুকা। গত ৫ জানুয়ারি আরেকটি গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এ অবস্থায় ১৯৭৩ সালের বিশেষ বিসিএস ব্যাচের মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কাজী বজলুর রহমানসহ ১৭ জন হাইকোর্টে রিট করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে।
সদরপুরে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই স্থগিত
সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া হাইকোর্টের আদেশে ৪ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেয় বলে অ্যাডভোকেট সাইদুল বারীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানা গেছে।
জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিতে ৭ সদস্যের কমিটির মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার থাকার বাধ্যতামূলক বিধি বিধান রয়েছে। এখানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বাদ দিয়ে কমিটি করা হয়। উক্ত কমিটির বিরুদ্ধে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ গফফার মিয়া বাদী হয়ে গত ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দেয়।
ইত্তেফাক/এমআই
