পেট্রাপোলে ৬ হাজার পণ্য বোঝাই ট্রাক বেনাপোলে প্রবেশের অপেক্ষায় দীর্ঘদিন

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০১৭, ১৮:০৮
যশোরের বেনাপোল বন্দরের প্রবেশের অপেক্ষায় ওপারে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ও কালিতলা পার্কে ছয় হাজার পণ্য বোঝাই  ট্রাক আটকা পড়ে আছে দিনের পর দিন। আমদানি রফতানি বানিজ্যে অব্যবস্থাপনা আগামী সাতদিনের মধ্যে সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বেনাপোলের বৃহত্তম ব্যবসায়ী সংগঠন  সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোশিয়েশন।
 
বুধবার দুপুরে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোশিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন নেতারা।
 
সংবাদ সম্মেলনে বন্দরের অব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উপর বক্তব্য রাখেন এসোশিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মফিজুর রহমান সজন। এ সময়  লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন  এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক লতা।
 
এতে এসোশিয়েশনের সিনিয়র সভাপতি  আলহাজ নুরুজ্জামান , আলাহাজ খাইরুজ্জামান মধু , কামাল উদ্দিন শিমুল, আলহাজ মহসিন মিলন ও জামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
 
নেতারা অভিযোগ করে বলেন, ‘বন্দরে জায়গা না থাকায় মালামাল বন্দরের বাইরে রেল লাইনের  পাশে গর্তে ফেলে রাখা হচ্ছে যত্রতত্র। বেনাপোল বন্দর দিয়ে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার মালামাল আমদানি হয় এবং বন্দরে থেকে বছরে সাত হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় হলেও বন্দর উন্নয়নে তেমন কোনো মাথা ব্যাথা নেই কর্তৃপক্ষের।’ তাই বন্দরে নতুন শেড নির্মাণ, বাইপাশ সড়ক নির্মাণ এবং ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ইনটিগ্রেটেড চেকপোস্টের মতো বেনাপোল বন্দরকেও আধুনিকায়নের জোর দাবি জানান বক্তারা।
 
নেতারা আরো অভিযোগ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বেনাপোল বন্দর সর্ববৃহত্তম স্থল বন্দর হলেও এটি আজো ডিজিটালাইজড করা হয়নি , বসানো হয়নি সিসি ক্যামেরা। বন্দরে নেই বিএসটিআই অফিস। কাস্টমস ও বন্দরে রয়েছে কর্মর্কতা ও কর্মচারী সঙ্কট। যে কারণে ব্যাহত হচ্ছে শুল্কায়ন ও বিলম্ব ঘটছে পণ্য খালাসের।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ