গাজীপুরে তাবলিগ জামাতের বৃহত্তর জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে খুলনা জেলা ইজতেমা।
এর আগে জানুয়ারিতে টঙ্গীর তুরাগ তীরে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তর জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা।
জেলা ইজতেমা উপলক্ষে খুলনা ও এর আশপাশের জেলার মুসল্লিরা আমবয়ানে অংশ নিতে বুধবার বিকেল পর্যন্ত আসতে শুরু করবে।
আয়োজকদের একজন বলেন, ইজতেমাস্থলে সার্বিক প্রস্তুতির জন্য প্রায় ছয় শ সেচ্ছাসেবী কাজ করছে। তিনি বলেন, ১২০ জন বিদেশি অতিথিসহ প্রায় ১০ লাখ মুসল্লি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
ইজতেমার নিরাপত্তা কার্যক্রম দেখতে সোমবার ইজতেমাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার (কেএমপি) নিবাস চন্দ্র মাঝি। তিনি বলেন, ইজতেমা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, কেএমপি কন্ট্রোল রুম ও উপ-পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ইজতেমা স্থলে ৫৪টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা থেকে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শন করা হবে এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, প্রয়োজনে আরো ১৮টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।
পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড ও আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর পাঁচ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োজিত থাকবে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যও মাঠে নিয়োজিত থাকবে বলে তিনি জানান।
এদিকে ইজতেমা উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে সভায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুন-অর-রশিদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুর-ই-আলম ও উপ-পুলিশ কমিশনার রাশিদা বেগমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান বলেন, প্রথমবারের মত জেলা পর্যায়ে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। টঙ্গী ইজতেমার মত সার্থক করতে সকলে এক সঙ্গে কাজ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, ছয় লাখ বর্গফুট ইজতেমা এলাকায় মুসল্লিদের আমবয়ান শোনার জন্য পর্যাপ্ত সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। বাসস
ইত্তেফাক/এএসএমইউ/ইউবি
