কাপ্তাই উপজেলার পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, রাইখালীতে অবস্থিত বহুল আলোচিত বিরল প্রজাতির সেই বুড়িপাম গাছটিতে কিছুদিন আগে ফল এসেছে। আর ফল আসার পর থেকেই গাছটি আস্তে আস্তে নিস্তেজ হচ্ছে। ইতোমধ্যে গাছের সব পাতা শুকিয়ে লাল হয়ে নিচের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। শুকনো কয়েকটি পাতা ঝরেও পড়েছে। গাছটি ক্রমেই ক্ষীণকায় হয়ে আসছে। শুরুতে গাছের মাথায় সোনালি রঙের যে ফুল ফুটেছিল সেগুলো ইতোমধ্যে থোকায় থোকায় অসংখ্য ফলের আকার ধারণ করেছে।
গত ৩০ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘বিরল প্রজাতির বুড়িপাম্প গাছে ফুল’ শিরোনামে ছবিসহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই খবরে বিরল প্রজাতির বুড়িপাম গাছ সম্পর্কে বলা হয়েছিল গাছের মাথায় বিশাল একগুচ্ছ সোনালি রঙের ফুল ফুটেছিল। আর ফুল ফোটার কারণে গাছটি অচিরেই মারা যাবে।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, বুড়িপাম গাছটির উচ্চতা প্রায় ৪০ মিটার। বেড় প্রায় ২ মিটার। গাছটির বয়স আনুমানিক ৬০ বছর বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আলতাফ হোসেন বলেন,তালিপাম বললেও গাছটি আসলে তালিপাম নয়। তবে গাছটি তালিপামের নিকটাত্মীয় বলে তিনি অনুমান করেন। এটি এরিকেসি পরিবারের উদ্ভিদ বলে ড. আলতাফ মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুষ্পমঞ্জুরিবিশিষ্ট পামগাছ এটি। তালিপামের মত এই গাছও জীবনে একবারই ফুল দেয়। তবে দুঃখজনক হলো ফুল ফোটার পরই গাছটির মৃত্যু ঘটে।
