বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদী থেকে বালু উত্তোলন

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০১৯, ২২:০৮

বিলীন হচ্ছে বিস্তীর্ণ জনপদ

এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা

বানারীপাড়ায় অনিয়মতান্ত্রিক বালু উত্তোলনের ফলে সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র রূপ ধারণ করেছে। সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী উত্তর নাজিরপুর, দাণ্ডয়াট, শিয়ালকাঠি, জম্বদ্বীপ, ব্রাহ্মণকাঠী, ডুমুরিয়া, ইলুহার, ধারালিয়া, বাসার, গোয়াইলবাড়ি, খোদাবকসা, খেজুরবাড়ি গ্রামের কয়েক একর ফসলি জমি, অসংখ্য বসতবাড়ি, স্কুল ও মাদ্রাসা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। কতিপয় চিহ্নিত বালুখেকো ব্যবসায়ী কাগজপত্র ঠিক রেখে গুজ প্রক্রিয়ায় বালু মহাল ইজারা নিয়ে যত্রতত্রভাবে বালু উত্তোলন করছে।

উপজেলার ইলুহার বিহারীলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খোদাবখ্সা, মিরেরহাট ও জম্বদ্বীপ সাইক্লোন শেল্টার যে কোনো সময় নদী গ্রাস করতে পারে। ওই গ্রামগুলোতে ভাঙনের কারণে বসতঘর, ভিটামাটি ও কয়েক হাজার একর ফসলি জমিসহ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত গোয়াইলবাড়ি গ্রামের নুরু হাওলাদার জানান, যারা বালু তোলে তারা কারো কোনো কথা শোনে না। ইচ্ছামতো বালু ইত্তোলন করায় নদী ভাঙনের হুমকিতে আছেন।

কালির বাজার এলাকার বাসিন্দা রহিম হাওলাদার  জানান, আমার বাড়ি একদম নদীর পাড়ে। অব্যাহত বালু উত্তোলনের কারণে বেকায়দায় পড়েছি। একটা চক্র প্রায় বারো মাস বালু উত্তোলন করে।

ওসি মো. খলিলুর রহমান জানান, বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষেধ রয়েছে। যদি কেউ আইন অমান্য করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম অবৈধ বালু উত্তোলন করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইউএনও এবং ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ জানান, বানারীপাড়ায় বালু উত্তোলন বন্ধ করা হয়েছে।