জননন্দিত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এসেছিলেন মেলায়। এবার বইমেলায় তাঁর তিনটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। অন্যপ্রকাশ এনেছে একাত্তর ও অন্যান্য গল্প’, চন্দ্রাবতী একাডেমী এনেছে ‘বিচিত্র স্বাদের গল্প’ আর পাঞ্জেরী এনেছে ‘মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য ও অন্যান্য প্রবন্ধ’।
তিনি বলেন, মেলা খুব সুন্দর আর গোছানো হয়েছে। শুরু থেকেই জমে উঠেছে মেলা। গেল শুক্রবারে তো আমি মানুষের ভিড়ে ভেতরে প্রবশে করতেই পারিনি। পহেলা বসন্ত আর ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে মেলা মানুষের আনাগোনা আরো বাড়বে সন্দে নেই। বই বিক্রি হচ্ছে, পুরো চত্বরজুড়ে উত্সবের আমেজ। সবমিলিয়ে খুব ভালো পরিবেশ। এবারের মেলায় স্বস্তি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যাচ্ছে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা পাঠকবান্ধব চেহারা পেয়েছে। মনে রাখতে হবে বইমেলা বাণিজ্যমেলা নয়। বইয়ের মেলা। এটাকে ধরে রাখতে হবে। সেইসঙ্গে কিছু বিষয যোগ করতে হবে।
তিনি বলেন, জীবন যেভাবে প্রবাহিত হয় আমাদের গল্প সেভাবেই এগুচ্ছে। দৃশ্য মাধ্যমের প্রভাব রয়েছে, ফেসবুক, মোবাইল এসব প্রযুক্তির প্রভাব রয়েছে। তারপরেও আমাদের সাহিত্যে বৈচিত্রময়তা বেড়েছে। আমাদের তরুণদের লেখা বলিষ্ঠ, বুদ্ধিবৃত্তিক গল্প লিখছে।
তিনি বলেন, ভাষার প্রতি ভালোবাসা যেন বইমেলাকেন্দ্রিক না হয়ে পড়ে। বছরজুড়ে চর্চাটা থাকা দরকার। স্কুলে লাইব্রেরি, উপজেলা পর্যায়ে লাইব্রেরি গড়ে তোলা দরকার। তা নাহলে মানুষের পাঠাভ্যাস বাড়বে না। আর বইমেলাকেও শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন।
ইত্তেফাক/নূহু
