আখাউড়ায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করায় বিশ্বের প্রায় ১৯২টি দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে; কিন্তু উপজেলায় আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগররা এ সম্পর্কে জানে খুব কমই। আর এর কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকা ও শহীদ দিবসে দায়সারা গোছের অনুষ্ঠান।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় দুইটি কলেজ, ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছয়টি মাদ্রাসা ও ৫৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। রয়েছে অর্ধশতাধিক কিন্ডার গার্টেন স্কুল। এরমধ্যে মাত্র তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। বাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার নেই। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা বাঞ্ছনীয় থাকলেও শহীদ মিনার না থাকার ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারের সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে না।
উপজেলার বেশির ভাগ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কাছে ২১ ফেব্রুয়ারি মানে শুধুই ছুটির দিন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা রয়েছে আরো অন্ধকারে।
আখাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে সেটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নেই করতে হবে। কিছু কিছু মাধ্যমিক বিদ্যালয় তা নির্মাণও করেছে। তবে এখনো কোনো কোনো মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়নি। স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শহীদ মিনার তৈরির জন্য তাগাদা দেয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
