রাণীনগরে নতুন প্রক্রিয়ায় রসুনের আবাদ, দ্বিগুণ লাভ

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৫:২২
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় প্রথমবারের মতো জমির প্রাথমিক পরিচর্যা ছাড়াই রসুনের আবাদ শুরু করেছেন আতাইকুলা গ্রামের আব্দুল খালেক মৃধার ছেলে মাহফুজুর রহমান রকেট। এ জেলায় তিনিই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে এই প্রক্রিয়ায় রসুনের আবাদ শুরু করেছেন। আশপাশের অনেক কৃষকই লাভজনক এই রসুনের আবাদ করার জন্য তার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করেছেন।
 
কৃষক রকেট জানান, দেশের অন্যান্য জেলাতেও এই প্রক্রিয়ায় রসুনের আবাদ খুবই জনপ্রিয়। তিনি প্রথমবারের মতো তিন বিঘা জমিতে এই প্রক্রিয়ায় রসুনের আবাদ করেছেন।
 
চাষ সম্পর্কে তিনি জানান, আমন ধান কাটার পর পানি দিয়ে জমি একটু ভিজিয়ে নিতে হবে। এরপর জমিতে সার ও ফসফেট দিতে হবে। ওই জমিতে রসুনের চার ভাগের এক ভাগ অংশ কাদার মাঝে রেখে খড় দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে দিতে হবে। এরপর রসুনের গাছ বের হলে পরিচর্যা শুরু করতে হবে স্বাভাবিক রসুন গাছের মতো। রোপন করার পাঁচ মাস পর রসুন উত্তোলনের যোগ্য হয়ে যায়। প্রতি বিঘা জমিতে ৩০ থেকে ৪০ মণ পর্যন্ত রসুনের ফলন পাওয়া যায়। অল্প পরিশ্রম ও কম খরচে দ্বিগুণ লাভ করা সম্ভব।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এসএম গোলাম সাওয়ার জানান, এটি মূলত দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিল এলাকার আবাদ। কৃষক রকেটকে কৃষি অফিস এই বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।
 
ইত্তেফাক/সালেহ্