বাকেরগঞ্জে আড়াইবেকীতে নেয়ামতি-ভারানী খাল খননে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। কারণ এই খাল দিয়ে প্রতিদিন ট্রলারে মনোহারি মালমাল নিয়ে বাণিজ্যিক কেন্দ্র নেয়ামতি বন্দরে যাওয়ার একমাত্র পথ। খালটিতে পলিমাটি পড়ে ভরে গিয়ে পানি না থাকায় শুকনো অবস্থায় থাকায় ব্যবসায়ীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বাকেরগঞ্জ থেকে দুই থেকে তিন কিলোমিটার এই খালটি জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে কয়েকটি ইউনিয়নে খাল খননের নামে ভেকু দিয়ে সংস্কার করা হলেও অধিকাংশ এলাকায় আংশিক খননের নামে ঠিকাদাররা কয়েক’শ কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। খালগুলো হচ্ছে— বাকেরগঞ্জের গারুড়িয়া, রঙ্গশ্রীর শ্যামপুর, লোসনাবাদ ভরপাশা, দুধল ও নলুয়া ইউনিয়নে আংশিক খনন করে তারা বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাত্ করে।
এ ব্যাপারে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মকর্তার সঙ্গে বাকেরগঞ্জে খাল খননের বিষয় জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
স্থানীয়রা জানান, খাল খননের বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ইত্তেফাক/নূহু
