বেনাপোল গাজীপুর সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা মুজিবনগর থেকে পিকনিক শেষে বাড়ি ফেরার পথে যশোরের চৌগাছার ঝাউতলা নামক স্থানে বাস উল্টে নিহত নয় শিক্ষার্থীর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকীতে র্যালি, দোয়া অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা হয়েছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে।
বেনাপোল পৌরসভার আয়োজনে বুধবার সকাল ১১টায় বেনাপোল পৌর এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্র- ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শতশত মানুষ এ শোক র্যালিতে অংশগ্রহণ ও নিহতদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্প অর্পণ করে।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেদিনের সেই ভয়ঙ্কর মৃত্যুতে শুধু বেনাপোলবাসী নয় কেঁদেছিল গোটা দেশ। নিহত শিশুদের যুগ যুগ ধরে মনে রাখতে বেনাপোল পৌরসভার উদ্যোগে স্কুলের সামনে নয়টি কবুতরের বুকে তীর বিদ্ধ করা একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি উদ্যোগে স্কুলের ভবনটি দ্বিতল করা হয়েছে।
এদিকে শিশুদের মৃত্যুর তিন বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত যেন শোক থামেনি নিহতদের পরিবারে। শোক বইছে শিক্ষকদের মাঝেও। বিশেষ করে আনন্দ উৎসবের দিন এলে নিহত শিশুদের কথা স্মরণ করে তাদের মন কেঁদে ওঠে। আর মৃত্যুবার্ষিকী এলে সেই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কথা মনে করে ছবি বুকে আঁকড়ে শোকে নিথর হয়ে পড়ে।
পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, হারিয়ে যাওয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ছিল উড়ান্ত পাখির মত। সেদিন তাদের বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আঘাত এত গুরুতর ছিল যে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। আমি চাই যুগ যুগ ধরে মানুষ তাদের স্মরণে রাখুক। তাই তাদের স্মরণে এ ধরনের স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/মাহমুদুল ইসলাম
