জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাসপুরে বাসের ধাক্কায় মা-মেয়েসহ এক অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত ও দুইজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরে হাসপাতালে মারা যান একজন। ঘটনাস্থলে মারা যান বেগমগঞ্জের মুজাহিদপুর গ্রামের বাদলের স্ত্রী খদিজা খাতুন (৪০), তার মেয়ে কামরুন্নাহার পলি আক্তার (২৫), দরবেশপুর গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে ও নোয়াখালী সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র শহিদুল ইসলাম সাকিব (২০)। পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে মারা যান সোনাইমুড়ী উপজেলার উত্তর অম্বরনগর গ্রামের সাহাবউদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম রাজু (৪৫)। গুরুতর আহত অটোরিকশার চালক মাসুদ আলম (৩৫) ও নিহত খদিজা খাতুনের ছেলে রনিকে (১৫) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাদের অবস্থার অবনতি হলে বিকালে উন্নত চিকিত্সার জন্য দুজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ফেনী থেকে সুগন্ধা পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস নোয়াখালী জেলা সদরের সোনাপুরের দিকে আসছিল। একই সময় মাইজদী শহর থেকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটি চৌমুহনীতে যাচ্ছিল। পথে একলাসপুর গ্রামের রশীদ কোম্পানীর দরজা নামক স্থানে বাসটির সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান শেখ জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টেকনাফে দুর্ঘটনায় নিহত এক
টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, কক্সবাজারের টেকনাফে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার হ্নীলা মৌলভীবাজার দক্ষিণপাড়ার মৃত কালা মিয়ার পুত্র ও পাঁচ ছেলে-মেয়ের জনক আব্দুল জাব্বার (৪০) ফজর নামাজ শেষে সড়কপথে হেঁটে অইরপাড়ায় শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
