নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আলাউদ্দিনের পুত্র কুছিমুদ্দিনের বয়স ৯৫ পেরিয়ে গেলেও তার ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড। আর কত বছর বয়স হলে তিনি বয়স্ক ভাতার কার্ড পাবেন এমন প্রশ্ন তার সকলের কাছে।
কছিমুদ্দিন জানান, বয়সের ভাড়ে প্রায় ২২ বছর আগেই তিনি অন্যের জমিতে কৃষি কাজ করা ছেড়ে দিয়েছেন। শারীরিক ভাবে অসুস্থ থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি অনেক কষ্টে জীবন যাপন করছেন। আর্থিক সংকট কাটাতে একটি বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য ১০ বছর ধরে চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে ধরনা দিলেও কোন কাজ হয়নি। মৃত্যুর দারপ্রান্তে এসে ভালভাবে বেঁচে থাকার জন্য বয়স্ক ভাতার কার্ড পেতে তিনি এখোনো আশাবাদী।
ওই ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার আশিয়ার রহমান বলেন, কুছিমুদ্দিন আমার কাছে তার আইডি কার্ড নিয়ে এসেছিলেন আমি তাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু কয়েকদিন পর তিনি নিজেই তার কাগজপত্র ফেরৎ নিয়ে গেছেন।
বাহাগিলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ দুলুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইল ফোনে কল দিলে তার সহকারী মিলন রিসিভ করে বলেন, চেয়ারম্যান বর্তমানে ব্যস্ত আছেন।
ইত্তেফাক/মাহমুদুল ইসলাম
