ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে শনিবার রাতের জিতেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। নির্ধারিত ওভারে দু’দলের স্কোর সমান হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে ১০ রান করে দিল্লি ক্যাপিটালস। জয়ের জন্য কেকেআরের সামনে টার্গেট ১ ওভারে ১১ রান। সেখানে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬ রান করতে পারে কেকেআর। সেখানেই পিছিয়ে যায় তারা।
সুপার ওভারে দুর্দান্ত বল করে ম্যাচের নায়ক কাগিসো রাবাদা। তিনি নির্ণায়ক ওভারে বুদ্ধিদীপ্ত বল করেন। আইপিএলের দ্বাদশ মৌসুমের প্রথম সুপার ওভারে হার কলকাতার। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল দিল্লি।
ঘরের মাঠে দিল্লি টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং নেয়। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬১ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুকছিল কলকাতা। দিনেশ কার্তিক ও আন্দ্রে রাসেল সেখান থেকে দলকে বের করে আনতে সক্ষম হন। সপ্তম উইকেটে এই দুজন ৯৫ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে কলকাতাকে লড়াকু স্কোর এনে দেন।
আরও পড়ুন : ফিলিস্তিনি বন্দিদের জুমার নামাজ নিষিদ্ধ করল ইসরাইল
কার্তিক ৩৬ বলে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কার মারে ৫০ রান করেন। অপরদিকে ২৮ বল থেকে চারটি চার ও ছয়টি ছক্কার মারে ৬৪ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন রাসেল। সেই সুবাদে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৫ রান করে কলকাতা।
জবাব দিতে নেমে শ’র একা ঝড়েই দিল্লি তখন জয়ের আশা দেখছিল। শিখর ধাওয়ানকে নিয়ে তার ওপেনিং জুটিটা ২৭ রানে ভাঙে। এ সময় ৮ বলে ১৬ রান করে ফিরে যান ধাওয়ান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে শ্রেয়াস আয়েরকে নিয়ে ৮৯ রানের জুটিতে ঠিক পথেই হাঁটছিলেন পৃথ্বি। তবে আয়ের আউট হয়ে যান দলীয় ১১৬ রানে। সাজঘরে ফেরার আগে ৩২ বল থেকে ৪৬ রান করেন তিনি।
ঋষভ পান্তকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিলেন পৃথ্বি শ’। জয় থেকে মাত্র ১২ রান দূরে থাকা অবস্থায় আউট হয়ে যান তিনি। ৫৫ বল থেকে ১২টি চার ও তিনটি ছক্কার মারে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান পেছনে থেকে ফেরেন সাজঘরে পৃথ্বি। এর আগে ফেরেন পান্তও। যে কারণে খেলার গতি কিছুটা স্লো হয়ে আসলে কলকাতার সমান ১৮৫ রানেই শেষ হয় দিল্লির ইনিংসও। তাই ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
ইত্তেফাক/কেআই
