১৯৫৪ সালে মানিকগঞ্জে নির্মিত হয়েছিল মানিকগঞ্জ অঞ্চলের প্রথম শহীদ মিনার। শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেছিলেন উম্মে সাহেরা খাতুন।শহীদ মিনারটি শহরের এস কে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত।কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্যি শহীদ মিনারটি সারা বছরের ন্যায় ২১ ফেব্রুয়ারিতেো ছিল অবহেলিত।
একটি ফুলও দেয়া হয়নি ভাষা শহীদদের স্মরনে। প্রতিদিন শহীদ মিনারের ওপর অবস্থান করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকরা। অভিভাবকদের বসার কারনে ভেঙ্গে গেছে শহীদ মিনারের রেলিং।
এস কে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি আজ কাউকে কোনো ফুল দিতে দেখেননি। এটি সারা বছরই নোংরা থাকে।
কমরেড আজহারুল ইসলাম বলেন, আমি জেলা প্রসাশনকে বিষয়টি জানিয়েছি কিন্তুু কোন সুফল পাইনি। এটি খুবই দু:খ ও লজ্জাজনক। ১৯৫২ সাল খেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত আমরা এই শহীদ মিনারে ফুল দিয়েছি ।
জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ইকবাল রহোসেন জানান, এটি প্রসাশনের ব্যার্থতা। আমাদের ভাষা শহীদদের অবমাননা।
জেলা উদীচির সভাপতি গাজী ওয়াজেদ আলম বলেন, আমি এই ঘটনার জন্য ঘৃনা ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদত খোন্দকার জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি এটি মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন করবেন এবং আগামীতে এখানে কর্মসূচী অন্তর্ভুক্ত করবেন।
মানিকগঞ্জ পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী কামরুল হুদা সেলিম জানান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকরা এই শহীদ মিনারকে প্রতিনিয়ত নষ্ট করছে। আমি চেষ্টা করব মিনারটি যেন সংস্কার করা হয়।
ইত্তেফাক/নূহু
