চালকবিহীন গাড়ির প্রায় অসম্ভব প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য গুগলে চাকরি পান অ্যান্থনি লেভানদাওস্কি। বৃহস্পতিবার মেধাসত্ব আইন ভেঙে প্রযুক্তি চুরির দায়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে চালকবিহীন গাড়ির জন্য গুগলের ‘সিস্টার কনসার্ন’- ‘ওয়েমো, দ্য অ্যালফাবেট ইঙ্ক’।
গুগলের অভিযোগ, ‘অ্যালফাবেটে’র বহু মূল্যবান মেধাসত্ব চুরি করে তা ‘উবের টেকনোলজিস’র হাতে তুলে দিয়েছেন এই ইঞ্জিনিয়ার। এছাড়া ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ‘অ্যালফাবেটে’র চাকরি ছাড়ার আগেই তিনি গুগলের গোপন তথ্যাদি, প্রযুক্তি-প্রকৌশলের নকশা, খবরাখবর, আগামী প্রকল্পের ১৪ হাজার ফাইল ডাউনলোড করে সরিয়ে ফেলেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
আদালতে গুগলের সংস্থা ‘ওয়েমো, দ্য অ্যালফাবেট ইঙ্ক’ জানায়, লেভানদাওস্কি ও তাঁর সঙ্গীদের ওই মেধাসত্ব চুরির ‘ডিজিট্যাল ফুটপ্রিন্টস’ (তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রমাণ) তাঁদের হাতে রয়েছে। তবে এ মামলায় লেভানদাওস্কিকেই মূল অভিযুক্ত করা হয়েছে।
বার্কলের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লেভানদাওস্কির স্বপ্ন ছিল চালকবিহীন গাড়ির অভিনব প্রযুক্তি উদ্ভাবনের। লেজার রশ্মির মাধ্যমে চালকবিহীন গাড়ি চালানোর প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য পরে তিনি ‘৫১০ সিস্টেমস’ নামে একটি কোম্পানি তৈরি করেন।
লেভানদাওস্কি গুগলের চাকরিতে যোগ দেন ২০০৭ সালে। কিন্তু গুগল পরে জানতে পারে তাদের চাকরিতে ঢোকার পরেও তাঁর সংস্থা ‘৫১০ সিস্টেমস’ চালিয়ে যাচ্ছেন লেভানদাওস্কি। পরে ‘৫১০ সিস্টেমস’ কোম্পানিটাই কিনে নেয় গুগল। তাছাড়া গুগল ছাড়ার আগেও ‘ওটো’ নামে একটি কোম্পানি খুলেছিলেন লেভানদাওস্কি। তবে তিনি গুগল ছেড়ে উবেরে চাকরি নিলে উবের গত বছরের আগস্টে সেই ‘ওটো’ সংস্থাটি ৬৮ কোটি ডলারে কিনে নেয়। দ্য গার্ডিয়ান।
ইত্তেফাক/সেতু
