গাইবান্ধায় স্ত্রী-সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৭, ১৭:১৮
গাইবান্ধায় শামিউল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্ত্রী নাজমা বেগম (৩০) ও ছয় মাসের শিশু কন্যা শামীমাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
 
এ ঘটনায় শামিউল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। শামিউল ইসলাম সদর উপজেলার বল্লমঝাড় গ্রামের সৈয়দ আলী মুন্সীর ছেলে। 
 
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রাম থেকে ওই মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 
 
বল্লমঝড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম ঝন্টু জানান, শামিউল তিনটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করে।দ্বিতীয় স্ত্রী গাইবান্ধা সদর উপজেলার নারায়ণপুরে গ্রামে বাবার বাড়িতেই থাকেন। তৃতীয় স্ত্রী নাজমা বেগমকে নিয়ে তিনি বসবাস করতেন।
দাম্পত্য কলহ নিয়ে প্রতিদিনই শামিউলের সঙ্গে নাজমার ঝগড়া হতো। 
 
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি একেএম মেহেদী হাসান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হাত-পা বাঁধা পাষণ্ড শামিউল নিজের হাত-পা বেঁধে কান্না কাটি করে প্রতিবেশীদের জানান ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। প্রতিবেশীরা এসে তার হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেন। 
 
এ সময় একই ঘরের শুয়ে থাকা তার ছেলে নাজমুল (১১) বলে, ‘গভীর রাতে আমার পিতা বালিশ চাপা দিয়ে মাকে হত্যা করেছে। বিষয়টি টের পেয়ে ভয়ে আমি লেপের নিচে মাথা ঢুকে রাখি। পরে মায়ের পাশে শুয়ে থাকা ছোট বোন শামীমাকেও একইভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বাবা। পরে ভোরে এক ব্যক্তি এসে ঘরের দরজার কড়া নাড়ে। বাবা দরজা খুলে দিলে অপরিচিত ওই লোক দড়ি দিয়ে বাবার হাত-পা বেঁধে রেখে আবার চলে যায়।’
 
ইত্তেফাক/মুস্তাফিজ/উজ্জ্বল