জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিবস সামনে রেখে গোপালগঞ্জ শিশু একাডেমি মুখরিত হয়ে উঠেছে। দু’দিনব্যাপী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে ৭০০ শিশুর কল-কাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে শিশু একাডেমি।
এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন আগামী ১৭ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় শিশু সমাবেশ শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফল করতে শিশু একাডেমির শতাধিক শিশু মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। সোমবার দুপুরে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শেষ দিনে শিশু একাডেমিতে রচনা লিখন, গল্পবলা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ২০০ শিশু অংশ নেয়।
গত রবিবার প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয় সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং নির্ধারিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় প্রায় পাঁচ শতাধিক শিশু প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। আগামী ১৭ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কার তুলে দেবেন। এসব প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান ভূঁইয়া, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসমত আরা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা এস এম ফিরোজুল আহ্সান।
জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার নিপুণ হোসাইন বলেন, ‘জাতির পিতার জম্মবার্ষিকী ঘিরে শিশু একাডেমি শিশুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। সোমবার ও রবিবার ৭০০ শিশুর অংশগ্রহণে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা ১৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবে।’
ইত্তেফাক/নূহু
