বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্র আন্দোলন টানা ষষ্ঠদিনে রবিবার আন্দোলনরত শির্ক্ষাথীরা ইউজিসির অডিট টিমকে কলেজে প্রবেশ করতে দেয়নি। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশাসনিক ভবনের নিজ তলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। এসময় শিক্ষার্থীরা উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হকের পদত্যাগ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। সকাল ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে বিশ্ববিদ্যালয় অডিট করতে একটি টিম আসলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশে বাঁধা দেয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, যখন ক্যাম্পাস খোলাছিল তখন অডিট কমিটি আসেনি।
এখন এই আন্দোলনের সময় কেন এসেছেন? তারা সন্দেহ করেন বলেন অডিট কমিটি হয়তো ভিসি’র অপকর্মের নথিগুলো অডিট কর্মকর্তাদের যোগসাজসে সরিয়ে ফেলবেন। এছাড়াও প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। এমতাবস্থায় তারা অডিট করতে পারেন না। পরে দুপুর ১২টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শিক্ষার্থীরা মুখে কালো কাপর বেঁধে একটি মৌন মিছিল বের করে। মিছিলটি ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়ক হয়ে ভোলা সড়কের মোড় হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে শেষ হয়।
২৬ মার্চ ভিসি’র গার্ডেন পার্টি আয়োজনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলে অবহিত করেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। চলমান আন্দোলনে ভিসি বক্তব্যের ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করে এবং সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পুড়িয়ে ফেলে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
