খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামালের গাড়ি বহরে হামলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তেরখাদা উপজেলার সাচিয়াদহ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তবে পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার কথা স্বীকার করলেও গুলির বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল অভিযোগ করে বলেন, সকাল ১১টার দিকে তিনি খুলনা থেকে তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারের উদ্দেশে গাড়ি বহর নিয়ে রওনা হন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে গাড়ি বহরটি উপজেলার সাচিয়াদহ এলাকায় পৌঁছালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার সমর্থক তেরখাদা উপজেলা চেয়ারম্যান সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চুর ভাই সমীর বিশ্বাস ও রুকু বিশ্বাসের নেতৃত্বে তাদের গাড়ি বহরে হামলা এবং গুলি বর্ষণ করা হয়।
এ সময় তারা কমপক্ষে ১৫টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। হামলায় জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, তার ভাই উবায়দুল ইসলাম, পলাশ ও আলিমসহ ৫জন আহত হয়। এ সময় তারা ২০/২৫ রাউন্ড বর্ষণ করে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে হামলার পরও তারা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে পৌঁছান।
তেরখাদা উপজেলা চেয়ারম্যান সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু মোবাইল ফোনে বলেন, আমি চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছি। তবে জানতে পেরেছি, জামালের নেতৃত্বে তেরখাদায় গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা স্থানীয় কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও হামলা ও ভাংচুর করে।
এ ব্যাপারে তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি খুলনায় অবস্থান করছেন। তাকে থানা থেকে জানানো হয়েছে সামান্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে গুলির কোন ঘটনা ঘটেনি। এ অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ওসি।
