রায়পুরে সড়কের দুই পাশে মাটি নেই

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৭, ০৩:০২

লক্ষ্মীপুর-রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ১৫ কিলোমিটার সড়কের বেশিরভাগ স্থানের দু’পাশে স্লোডারে মাটি নেই। এতে সড়কের অনেক স্থানে কার্পেটিং ভেঙে পড়ছে। কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন যাবত্ সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত এক বছরে এ সড়কে অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার রায়পুর উপজেলার বোর্ডার বাজার থেকে লক্ষ্মীপুর দালাল বাজার পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, সড়কটির বেশিরভাগ অংশের দু’পাশে মাটি নেই। অনেক স্থানে দেখা গেছে, এক থেকে তিন ফুট পর্যন্ত স্লোডারে মাটি দেবে গেছে। যার ফলে মূল সড়ক থেকে মাটির অংশ নিচু হওয়ার কারণে প্রায়ই বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, সাইকেল, ভ্যান, রিকশাসহ হালকা যানবাহন দুর্ঘটনায় পতিত হয়। দিন দিন বাড়ছে দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা। এমনকি সড়কের পাশ দিয়ে পথচারীও হাঁটতে পারে না।

চরপাতা ও লেংড়া বাজার এলাকার বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা থেকে চিংড়ি মাছ বোঝাই একটি ট্রাক রায়পুর-লক্ষ্মীপুর অঞ্চলিক মহাসড়কে খাইল্লার পোল এলাকার খালে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক রবিউল ইসলাম (২৮) নিহত হন। এ ঘটনায় ট্রাকের হেলপার মোস্তকিনসহ আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

যোগাযোগ করা হলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) রায়পুর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, রায়পুর-লক্ষ্মীপুর-ফরিদগঞ্জ সড়কটির প্রস্থ ১৮ ফুট। বর্তমানে খুবই ব্যস্ততম সড়কটির অধিকাংশ অংশেই দু’পাশে (সোল্ডার) মাটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে দু’পাশে মাটি ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু