তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও জটিলতা নিরসনে বেসিস প্রদত্ত বেশ কয়েকটি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত বৃহস্পতিবার ও রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইসিটি ডিভিশন ও বেসিসের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
প্রথমদিন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, বেসিসের সাবেক সভাপতি মাহবুব জামান, বেসিসের সাবেক মহাসচিব শোয়েব আহমেদ মাসুদ, এলআইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ প্রমুখ।
বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আর্থিক সম্পর্কিত সমস্যাগুলো দূরীকরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে অনুরোধ জানান। এলআইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এই খাতের সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বেসিস নেতৃবৃন্দ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রস্তাবনাগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও কর্মকর্তাদের বিস্তারিতভাবে বুঝিয়ে বলেন।
অন্যদিকে রবিবার অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জনাব মাসুদ বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠকে বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, বেসিসের সাবেক সভাপতি মাহবুব জামান, বেসিসের সাবেক মহাসচিব শোয়েব আহমেদ মাসুদ, এলআইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বেসিসের পক্ষ থেকে আর্থিক খাত সংক্রান্ত প্রস্তাবনাসমূহ পেশ করা হয়। সেগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়। বিস্তারিত আলোচনা শেষে উভয়পক্ষের সম্মিলিত সিদ্ধান্তগুলো হলো- আইসিটি খাতের উপযোগি সি-ফর্ম তৈরি, আইসিটি রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এআইটি কর্তন না করা, ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে ৭০ শতাংশ অর্থ জমা রাখা ও অনুমতি ছাড়াই সমপরিমাণ বিদেশে পুনরায় পাঠানোর সুবিধা প্রদান, তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ ২৫০০০ ডলার থেকে ৩০০০০ ডলারে উন্নীতকরণ, ব্র্যাক-বেসিস ক্রেডিট কার্ড প্রতিবার রিফিলের সীমা ২০০০ ডলার থেকে ৬০০০ ডলারে উন্নীতকরণ ইত্যাদি। দ্রুতই এগুলো সার্কুলার আকারে প্রকাশ করে জানিয়ে দেয়া হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
