জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কাঠমান্ডু বিদ্যাকুঞ্জ স্কুলের শিক্ষার্থীরা উক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন রাষ্ট্রদূত মিজ্ মাশফি বিনতে শামশ্।
দিনের শুরুতে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং কাঠমান্ডুস্থ সার্ক সচিবালয়ের পক্ষ থেকে পরিচালক এম জে এইচ জাবেদ। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমান ও নেপাল প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পক্ষ থেকে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ এ শহীদ হওয়া তাঁর পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দের বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করে একটি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় ।
দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত বক্তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসীম অবদানের কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামশ্ তাঁর বক্তৃতায় শিশুদের ভাগ্য উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধোত্তর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন । তিনি বলেন, যে বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে স্বল্প সময়ে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার ব্যাপক তাৎপর্য রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী দিনের সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর উচিত বঙ্গবন্ধুর মত বিশ্ব নেতাদের জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শন গভীরভাবে অধ্যয়ন করা।
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত দেশি ও বিদেশি অতিথিদের বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।
