রায়পুর-হায়দরগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজে ধীরগতি

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৭, ০২:০৫

রায়পুর-হায়দরগঞ্জের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কার কাজ ধীরগতি ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কার্যাদেশ পাওয়ার প্রায় সাত মাস পর হতে চললেও এখনও তিন কি.মি. সড়কের সংস্কার কাজ পুরো করতে পারেনি ঠিকাদার। গত রবিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সড়কের কোনো কাজই করছেন না ঠিকাদার। এতে সড়কে চলাচলরত জনসাধারণ ও গাড়ি চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরে কোনো উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি  ভাঙা ও যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী সংস্কার ও মেরামতের দাবি জানিয়ে আসলে অবশেষে আরটিআইপি-২ প্রকল্পের অধীনে সংস্কার ও মেরামতের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে টেন্ডার আহবান করে লক্ষ্মীপুর এলজিইডি। ওই সময় চার কোটি ১৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বরাদ্দে নোয়াখালীর মেসার্স হাছান রূপালি জেবি কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়।

২০১৬ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া হয় এবং চলতি বছরের আগামী সাত সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। গতবছরের ৩০ ডিসেম্বর কাজের উদ্বোধন করেন রায়পুর আসনের এমপি ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ নোমান। কিন্তু কার্যাদেশের সাত মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত তিন কি.মি. সড়কের কাজও শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের শুরুতেই ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের ইটের সুরকি। এতে রোলার করার পর বেশির ভাগ সুরকি পাউডার হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও আগের পিচ ঢালাই ভালো করে না সরিয়ে তার উপর নিম্নমানের ইটের সুরকি ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ফরহাদ হোসেন বলেন, রোলারটি মেরামত করে দু’একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে। তবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কথাটি সঠিক নয়।

রায়পুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আক্তার হোসেন ভূইয়া জানান, রোলার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ঠিকাদার গত এক সপ্তাহ ধরে কাজটি করছেন না। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তবে দু’একদিনের মধ্যে ঠিকাদার কাজ শুরু করবেন বলে জানান তিনি। আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ আছে।

ইত্তেফাক/নূহু