শেরপুর সীমান্তে আবারো বন্য হাতির উপদ্রব

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৭, ০২:০৪

প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর আবারও শেরপুর সীমান্তে হাতির উপদ্রব শুরু হয়েছে। জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার পশ্চিম শমসচুড়া ইউনিয়নের কোচপাড়া এলাকায় রবিবার রাতে বন্যহাতি ফসলের জমি নষ্ট করেছে। এরপর থেকে হাতি আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সীমান্তবাসী। যে কোনো দিন সন্ধ্যার পর আবারও হাতির পালটি ওই এলাকায় হানা দিতে পারে বলে স্থানীয় অধিবাসীরা আশঙ্কা করছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভারতের মেঘালয় সীমান্তের মাচাংপাড়া থেকে ৩০/৪০টি বন্যহাতির পাল উপজেলা পশ্চিম শমসচুড়া ইউনিয়নের কোচপাড়া এলাকার সমতলে নেমে আসে। এ সময় পশ্চিম শমসচুড়া গ্রামের আসকর আলী, ইসরাফিল, নবী হোসেন, বেলায়াত হোসেন, আছর আলী ও আবদুল মান্নানের ৮০ শতাংশ জমির বোরো আবাদ ও নওশেদ মিয়ার ২০ শতাংশ গম ক্ষেত খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। এছাড়া একই গ্রামে লাববের মিয়ার ৩০ শতাংশ তরমুজ ক্ষেত পা দিয়ে পিষে নষ্ট করে ফেলে। গ্রামবাসী মশাল জ্বালিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাতির পালটিকে শমসচুড়া পাহাড়ের দিকে তাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে হাতির পালটি শমসচুড়া চেঙ্গবের পাহাড় কিংবা তার আশ-পাশে অবস্থান করছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমান জানান, গ্রামবাসীকে নিয়ে মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের কেরোসিন তেল কিনতে বলা হয়েছে।

গত বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত জেলার ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী সীমান্তে হাতির আক্রমণে মারা গেছেন ১০জন। সেইসঙ্গে ফসলহানি, গাছপালা ভাঙচুর ও শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত করেছে। জানুয়ারি থেকে চলতি মার্চ মাস পর্যন্ত হাতির আক্রমণ থেমে থাকলেও জেলার নালিতাবাড়ি সীমান্তে ফের হাতির আক্রমণ শুরু হয়েছে।শেরপুর সীমান্তে আবারো বন্য হাতির উপদ্রব
সুশীল মালাকার, শেরপুর প্রতিনিধি২৩ মার্চ, ২০১৭ ইং
শেরপুর সীমান্তে আবারো বন্য হাতির উপদ্রব
প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর আবারও শেরপুর সীমান্তে হাতির উপদ্রব শুরু হয়েছে। জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার পশ্চিম শমসচুড়া ইউনিয়নের কোচপাড়া এলাকায় রবিবার রাতে বন্যহাতি ফসলের জমি নষ্ট করেছে। এরপর থেকে হাতি আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সীমান্তবাসী। যে কোনো দিন সন্ধ্যার পর আবারও হাতির পালটি ওই এলাকায় হানা দিতে পারে বলে স্থানীয় অধিবাসীরা আশঙ্কা করছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভারতের মেঘালয় সীমান্তের মাচাংপাড়া থেকে ৩০/৪০টি বন্যহাতির পাল উপজেলা পশ্চিম শমসচুড়া ইউনিয়নের কোচপাড়া এলাকার সমতলে নেমে আসে। এ সময় পশ্চিম শমসচুড়া গ্রামের আসকর আলী, ইসরাফিল, নবী হোসেন, বেলায়াত হোসেন, আছর আলী ও আবদুল মান্নানের ৮০ শতাংশ জমির বোরো আবাদ ও নওশেদ মিয়ার ২০ শতাংশ গম ক্ষেত খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। এছাড়া একই গ্রামে লাববের মিয়ার ৩০ শতাংশ তরমুজ ক্ষেত পা দিয়ে পিষে নষ্ট করে ফেলে। গ্রামবাসী মশাল জ্বালিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাতির পালটিকে শমসচুড়া পাহাড়ের দিকে তাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে হাতির পালটি শমসচুড়া চেঙ্গবের পাহাড় কিংবা তার আশ-পাশে অবস্থান করছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমান জানান, গ্রামবাসীকে নিয়ে মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের কেরোসিন তেল কিনতে বলা হয়েছে।

গত বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত জেলার ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী সীমান্তে হাতির আক্রমণে মারা গেছেন ১০জন। সেইসঙ্গে ফসলহানি, গাছপালা ভাঙচুর ও শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত করেছে। জানুয়ারি থেকে চলতি মার্চ মাস পর্যন্ত হাতির আক্রমণ থেমে থাকলেও জেলার নালিতাবাড়ি সীমান্তে ফের হাতির আক্রমণ শুরু হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু