হঠাৎ আকাশের দিকে তাকালেন। এমন মেঘ দেখে আঁতকে উঠে ভেবে বসতে পারেন পাক খাওয়া ঢেউ সমেত দুর্যোগপূর্ণ সমুদ্র বুঝি হামলে পড়বে মাথার উপর। না, বেপারটা মোটেও তেমন না। এটি অনন্ত আকাশের উত্তেজনাপূর্ণ আবহাওয়ার এক অমীমাংসিত প্রপঞ্চ। আজ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত নতুন ধরণের মেঘ ‘অ্যাসপেরিটাস।’
আর এভাবেই আন্তর্জাতিক ক্লাউড অ্যাটলাস কাব্যিক আকারে বিশ্ব আবহাওয়া দিবসে তাদের আবিষ্কৃত নতুন এক ধরণের মেঘের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় বিশ্ববাসীকে।
IMG0
‘অ্যাসপেরিটাস’ কে স্থানীয়করণ তরঙ্গ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, কখনো মসৃণ আবার কখনো কখনো ধারালোভাবে পাক খাওয়া মেঘের কুন্ডলী বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে। হঠাৎ নীচ দেখে মনে হয় উত্তাল কর্কশ সমুদ্র উল্টো হয়ে ঝুলে আছে আকাশে।
IMG1
ল্যাটিন শব্দ থেকে খুঁজে এই মেঘের নাম ‘অ্যাসপেরিটাস’ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্লাউড অ্যাটলাস।
IMG2
আমেরিকার আইওয়া রাজ্যের সিডার র্যাপিডস এ ২০০৬ সালে এই মেঘের চিত্রকে প্রথম ক্যামেরায় ধারণ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আবহাওয়া উৎসাহীদের একটি দল, জানায় ক্লাউডস এপ্রিসিয়েশনস সোসাইটি। তার কয়েক বছর পর তাদের প্রস্তাবিত এই মেঘকে আন্তর্জাতিক ক্লাউড অ্যাটলাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
IMG3
আমরা নতুন ধরণের অনেক মেঘের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। এগুলোকে নতুন নাম দেয়া ও আলাদাভাবে চিহ্নিত করার মাধ্যমে আমাদের আবহাওয়া সংক্রান্ত হিসেব-নিকেশ অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমরা গবেষণায় প্রচুর সময় ব্যয় করেছি এর পিছনে এবং আমাদের এই কাজ চলবে বলে জেনেভোয় বিশ্ব আবহাওয়া দিবসের এক অনুষ্ঠানে জানান গেভিন প্রিটর পিনি। সিএনএন।
