ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার সকালে দূতাবাসের মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ স্বাধীনতাযুদ্ধ ও বিভিন্ন স্বাধিকার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পড়ে শোনানো হয়। অনুষ্ঠানে ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর পাকিস্তানী হানাদার ও তাদের দোসরদের নির্মম হত্যাযজ্ঞের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। বক্তাগণ তাঁদের আলোচনায় গণহত্যা দিবসের নির্মমতার স্মৃতিচারণ করেন।
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে গণহত্যা দিবসকে বাঙ্গালী জাতির জীবনে সবচেয়ে মর্মান্তিক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল বীর সেনানী বিশেষ করে ২৫ মার্চের কালো রাতে শহীদ হওয়া সকল বীর, সম্ভ্রমহারা মা-বোনসহ বিভিন্ন স্বাধিকার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি পরম শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসররা বাঙ্গালী জাতিকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল।বস্তুত: ২৫ মার্চের গণহত্যা বাঙ্গালী জাতির চূড়ান্ত মুক্তির লড়াইয়ে দ্রোহ ও প্রেরণা যোগায়। রাষ্ট্রদূত উপস্থিত সকলকে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ও বিভিন্ন স্বাধিকার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ইত্তেফাক/সাব্বির
