সেনবাগ উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জনবহুল গুরুত্বপূর্ণ সেনবাগ-সোনাইমুড়ী সড়ক। উপজেলার প্রধান সড়কটি দীর্ঘ আট বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে।
এ সড়কের ২৪ কি.মি দীর্ঘ এই সড়ক জুড়ে বর্তমানে গর্ত ও খানাখন্দে ভরে গেছে। এতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে যান চালাচল। চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যাত্রী সাধারণ। আর প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
সেনবাগ-সোনাইমুড়ী প্রধান এই সড়কের ছাতারপাইয়া বাজার, কানকিরহাট বাজার, কেশারপাড়, গাজীর হাট মোড়, সাতবাড়িয়া ফখিরেরহাট বাজার, কাদরা মোড়, সেনবাগ পৌর শহর হয়ে সেনবাগ রাস্তার মাথা ফেনী-চৌমুহনী মহাসড়ক পর্যন্ত সড়কের অবস্থা বেশি খারাপ। ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের কারণে সড়কটি অনেকটাই যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের অনেক অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নিচু অনেক স্থানে সড়ক ভেঙে পড়ছে পাশের পুকুর ও ডোবায়। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে অসংখ্য যানবাহন ও পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করছে।
সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটো রিকশা চালক নুর আলম বলেন, উপজেলার প্রধান এ সড়কে খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। এতে আয়ের একটি বড় অংশ চলে যায় গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ খাতে। তাছাড়া খানাখন্দের কারণে যাত্রীদেরও সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়।
নোয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের কার্যালয় সূত্র জানায়, সেনবাগ-সোনাইমুড়ী সড়কে বড় ধরনের সংস্কার কাজ করা হয়েছিল আট বছর আগে।
সওজের নোয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ২৪ কিলোমিটার এ সড়কের প্রথম কিস্তিতে ১৪ কি.মি কাজের টেন্ডার ইতোমধ্যে আহবান করা হয়েছে। যা সোনাইমুড়ি থেকে সেনবাগ উপজেলার গাজীরহাট মোড় পর্যন্ত। বাকি ১০ কি.মি সড়কের কাজের জন্য পরবর্তীতে টেন্ডার আহবান করা হবে। পুরো সড়কটির সুফল পেতে একটু অপেক্ষা করতে হবে বলে তিনি জানান।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনের এমপি আলহাজ মোরশেদ আলম জানান, খুব শিঘ্রই সড়কটিতে আধুনিক মেশিন দিয়ে কাজ সম্পন্ন হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
