বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনায় রিমা বেগম (২১) নামে আরো এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে পানগুছি নদীর শ্রেণীখালী এলাকার চর থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। রিমা বেগম মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পুটিখালী গ্রামের নওয়াব আলী শেখের স্ত্রী।
মোড়েলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) রাসেদুল কবির জানান, শ্রেণীখালী এলাকায় স্থানীয়রা নদীর চরে ওই নারীর লাশ দেখে পুলিশকে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের স্বজনরা লাশটি রিমার বলে শনাক্ত করে।
এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় ৫ নারীর লাশ উদ্ধার করা হলো। এখনও অনেক নিখোঁজ রয়েছেন বলে তাদের স্বজনরা জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব ডা. মোজাম্মেল হোসেন, জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ-ই-আলম বাচ্চুসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উদ্ধার কাজ তদারকি করছেন।
মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় একটি খেয়া পারাপারের সময় মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা নদী থেকে অন্তত ত্রিশ জনকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেন। ট্রলারটি যাত্রী নিয়ে ছোলমবাড়িয়া খেয়াঘাট থেকে পুরাতন থানাঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিল। পুলিশ, দমকল বিভাগ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা স্থানীয়দের সাথে নিয়ে নদীতে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে ট্রলার ডুবির ঘটনায় জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোমিনুর রশিদকে প্রধান করে ওই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এই কমিটিতে জেলা প্রশাসনের তিন কর্মকর্তা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একজন করে রাখা হয়েছে।
