প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সব অভিজ্ঞতা প্রয়োগ এবং দেশব্যাপী হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করি। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ লাভ থেকে বঞ্চিত করে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগহ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এসে হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আবারও চালু করে। বর্তমানে ১৮ হাজার ৩৩৭টি হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে জনগণ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। গতকাল বুধবার সকালে গণভবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ডাঃ পুনম ক্ষেত্রপাল সিংয়ের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাত্কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ থেকে এইচআইভি/এইডস, যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়া এই ৩টি প্রধান ব্যাধি নির্মূলে সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে সায়মা ওয়াজেদ হোসাইন পুতুল উপস্থিত ছিলেন।
আঞ্চলিক পরিচালক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করে ডাঃ পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, বাংলাদেশে তৃণমূল জনগণের জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন একটি সফল কর্মসূচি। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, আগামী মাসে ভুটানে অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
১৯ থেকে ২১ এপ্রিল ৩ দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করবে বাংলাদেশ, ভুটান ও ডব্লিউএইচও। ডা. পুনম অটিজম বিষয়ে ভূমিকার জন্য বাংলাদেশে ন্যাশনাল এডভাইজরি কাউন্সিল অব অটিজমের চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসাইনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সায়মা ওয়াজেদের কারণে এই বিশ্ব সংস্থার কর্মসূচিতে অটিজম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে জানান সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক।
ইত্তেফাক/নূহু
