বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনায় আরো ৯জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এনিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হলো। এখনও কমপক্ষে ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে কন্টোল রুম সুত্রে জানা গেছে।
তাদের মধ্যে চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন-মজিদ শেখ (৭০), রফিকুল ইসলাম (৩৫), আমির হাসান (২৭) ও সাজ্জাত হোসেন (২)। তাদের সবার বাড়ি মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।
বৃহস্পতিবার সকালে পানগুছি নদীর বারইখালী ও সানকি ডাঙ্গা এলাকার চর থেকে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ওই আটজনের লাশ উদ্ধার করে।
উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বদানকারী নৌবাহিনীর কমান্ডার শাহরিয়ার আকন বলেন, পানগুছি নদীতে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজদের উদ্ধার করতে সরকারের বিভিন্ন বাহিনী গত তিনদিন ধরে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহষ্পতিবার সকালে পানগুছি নদীর বিভিন্ন এলাকায় ভাসমান অবস্থায় চার পুরুষ, এক শিশু ও দুইজন নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোড়েলগঞ্জ থানার ওসি রাসেদুল কবির জানান, স্থানীয়রা নদীর চরে ওই লাশগুলো দেখে পুলিশকে খবর দিলে লাশগুলো উদ্ধারকর্মীরা গিয়ে উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনরা লাশগুলো সনাক্ত করে।
মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় একটি খেয়া পারাপারের সময় মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা নদী থেকে অন্তত ত্রিশজনকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেন। ট্রলারটি যাত্রী নিয়ে ছোলমবাড়িয়া খেয়াঘাট থেকে পুরাতন থানাঘাটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পুলিশ, দমকল বিভাগ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে নদীতে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ইত্তেফাক/কাউছার
