ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প কর্তৃক উত্তরায় পানিধারণ এলাকা (ওয়াটার রিটেনশন পন্ড) ভরাট কার্যক্রমের উপর ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গত রবিবার এই আদেশ দেন। এ ছাড়া, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য ওই এলাকা ভরাট কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত ঢাকা মহানগরীর উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের দক্ষিণ পাশে দ্বিগুণ, বাউনিয়া ও বড়কাকর মৌজায় অবস্থিত মাস্টারপ্ল্যানে চিহ্নিত ৬১৫ দশমিক ৮১ একর পানিধারণ এলাকা রয়েছে। উত্তরা ও মিরপুর এলাকার জলাবদ্ধতা কমাতে সরকার ওয়াটার রিটেনশন পন্ড হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে এটা হস্তান্তর করে। ২০১৪ সালে ওই পন্ড থেকে ৪০ একর জমি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ জলাশয়টি ভরাট করলে পানি নিষ্কাশনে কি প্রভাব পড়বে, তা যাচাই করার দায়িত্ব দেয়া হয় ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে (আইডব্লিউএম)। কিন্তু আইডব্লিউএম একটি দায়সারা গোছের প্রতিবেদন দাখিল করে এবং তাতে নতুন পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে জলাশয়টি ভরাটের কারণে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে তা নিরসনের সুপারিশ করে। এসব বিষয় উল্লেখ করে হাইকোর্টে রিট করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতিসহ (বেলা) ৫টি সংগঠন। আবেদনের পক্ষে আইনজীবী রিজওয়ানা হাসান মামলা পরিচালনা করেন।
