চলে গেলেন সাদা মনের মানুষ ‘মীর আবুল হোসেন’

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৭, ১৫:০৭
 
মীর আবুল হোসেন, “একজন সাদা মনের মানুষ”। চলে গেলেন তিনি না ফেরার দেশে। তার সুন্দর দেহটির ভিতরে লুকানো ছিল একটা বিশাল হৃদয়, আর স্বচ্ছ-পরিচ্ছন্ন মন। এই মনটিকে সারাটি জীবন ব্যবহার করেছেন মানুষের কল্যাণের জন্য। তার চিন্তা-চেতনায় ছিল কিভাবে মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে নেয়া যায়। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি কাজ করেছেন মৃত্যুর আগপর্যন্ত।
 
তিনি কুয়েতের প্রথম রাষ্ট্রদূত ও আইআরআই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। চাকরিজীবন শেষ হওয়ার পর তিনি শহরের জীবন বাদ দিয়ে শেকড়ের টানে ফিরে আসেন গ্রামের বাড়ি। এসে বানিয়াজুরি ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজ ও জাবরা শহীদ স্মরণিকা বালিকা বিদ্যালয় স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষকতা শুরু করেন। কয়েকটি বিদ্যালয়ের শত শত গরিব ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশুনার সহযোগিতা করার জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। বিনা বেতনে পড়াতেন গ্রামের ছাত্র ছাত্রীদের নিজ বাড়িতে।
 
তিনি হলেন- মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের জাবরা গ্রামের কৃতি সন্তান, সমাজ সেবী, মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন, শিক্ষানুরাগী, একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহায়তাকারী ও সাদা মনের মানুষ মীর আবুল হোসেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
 
জন্ম ৯ মার্চ ১৯৪১ সালে, বাবার নাম: মৃত মীর আলিয়ার রহমান, মাতা- মৃত শরিফা খাতুন। নির্ভীক চিত্ত, বিশাল হৃদয় বিশিষ্ট এই সাদা মনের মানুষটি গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্নাল্লিহী ওয়া ইন্না লিল্লাহী রাজিউন)।
 
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় মরহুমের নামাজের জানাযা শেষে তাঁর নিজ বাড়ীতে পিতা-মাতার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর