রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদে এক নারী ইউপি সদস্যকে ধর্ষণের সময় আরেক ইউপি সদস্য এবং এতে সহায়তার অভিযোগে এক চেয়ারম্যানকে আটক করেছে এলাকাবাসী।
পরে এলাকাবাসী চেয়ারম্যান জানানাত আলী ও ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদের লাইব্রেরিতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষের লাইব্রেরিতে দরজা-জানালা বন্ধ দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে তারা ঘেরাও করে রাখে। এরপর পুলিশ ওই কক্ষ থেকে ভিকটিম নারী ইউপি সদস্যকে ও পুরুষ ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিনকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। আলাল উদ্দিন ওই ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য এবং ওই নারী ৭-৮-৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য বলে জানা গেছে।
ধর্ষণের শিকার নারী ইউপি সদস্য পুলিশকে জানিয়েছে, আলালউদ্দিন তাকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে জরুরি কথা আছে বলে লাইব্রেরির কক্ষে নিয়ে যায়। কথামত ওই কক্ষে প্রবেশ করলে দরজা-জানালা বন্ধ করে কুপ্রস্তাব দেয় আলাউদ্দিন। এক পর্যায়ে প্রকল্প পাইয়ে দেয়ার নামে তাকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় যুবক, রহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার সময় ওই লাইব্রেরির দরজায় তালাবদ্ধ ছিল এবং সেই তালার চাবি ছিল চেয়ারম্যানের কাছে। এ থেকে তারা চেয়ারম্যানকেও সন্দেহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
বাঘা থানার ওসি আলী মাহামুদ জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করেছেন। মামলার পর ওই নারীকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
