রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন আগামী ১১ এপ্রিল। আসন্ন সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তৎপর বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীরা। পদ প্রত্যাশী ডজনখানেক নেতা-কর্মী নিজ এলাকার সাবেক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে নিয়মিত যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
দুঃসময়ে যারা ছাত্রলীগের সঙ্গে ছিলেন, বিভিন্ন সময়ে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা ছাত্রলীগের আন্দোলর সংগ্রামে উপস্থিতি এ কমিটিতে গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষে আগামী ১১ এপ্রিল ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলন হতে যাচ্ছে। সেই সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে যারা বিভিন্ন সময় জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও অপশক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন তারাই বিবেচনায় থাকবেন। যারা বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত তাদের বাদ দিয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা হবে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচন, ছাত্রলীগের দুঃসমময়ে যারা ছাত্রলীগের সাথে ছিলেন তাদের গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, সংগঠনের হাইকমান্ডের জোর তদবির চালাচ্ছেন বিগত শাখা ছাত্রলীগের পদধারী অন্তত ডজনখানেক নেতাকর্মী। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থাকার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এসব নেতাকর্মীরা।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহাজাদা বলেন, লবিং তদবির নয়, যোগ্যতার উপর ভর করেই নেতা নির্বাচন করা হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের যার উপর আস্থা আছে সেই নেতা হবেন। নিয়মিত, মেধাবী ও ত্যাগীদের হাতেই নতুন নেতৃত্ব আসবে বলে মনে করেন তিনি।
গত ১৩ মার্চ কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে সম্মেলনের নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর থেকেই শাখা ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে কারা আসবেন তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর নাজমুল হককে সভাপতি ও দেবাশীষ দাসকে সাধারণ সম্পাদক করে ১ বছরের জন্য কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এর প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর শেকৃবিতে নতুন কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
