সুবর্ণচর উপজেলায় ফের এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোটকে কেন্দ্র করে মারধর করে ও স্বামীকে আটকে রেখে ছয় সন্তানের ওই জননীকে প্রতিপক্ষের লোকজন গণধর্ষণ করে। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের উত্তর বাগ্গা গ্রামের একটি মত্স্য খামারে এ ঘটনা করে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই নারী ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার আবুল বাসার ও ইউসুফ মাঝি নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় ওই নারীর স্বামী গতকাল আটজনের নাম উল্লেখ করে ও আরো অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজনকে আসামি করে চরজব্বার থানায় মামলা করেন।
ধর্ষিতা অভিযোগ করে বলেন, তিনি ও তার স্বামী তাজউদ্দিন বাবরের (চশমা) সমর্থনে ভোট করেন। সন্ধ্যার পর তিনি ও তার স্বামী মোটরসাইকেলে বাড়িতে আসার পথে তালা প্রতীকের প্রার্থী এবং নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন বাহারের সমর্থক ইউসুফ মাঝির নেতৃত্বে ১০-১২ জন তাদের মারধর করে। এ সময় বেচু মাঝি, বজলু ও আবুল বাসার তাকে পার্শ্ববর্তী মত্স্য খামারে নিয়ে ধর্ষণ করে। তার স্বামীর চিত্কারে এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করে। ওসি মো. সাহেদ উদ্দিন জানান, জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ওই নারীর ডাক্তারী পরীক্ষা করা হবে। পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ বলেন, দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে একই উপজেলার চর জুবলীতে চার সন্তানের জননী এক নারী গণধর্ষণের শিকার হন।
