গানে গানে বসন্ত উদযাপন করল রবিরশ্মি। গতকাল জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘বসন্তের মাধুরী-উত্সব’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা রবীন্দ্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ গুপ্ত এবং ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অমিত ভৌমিককে রবিরশ্মি সম্মাননা প্রদান করা হয়। এদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন রবিরশ্মির সভাপতি শিল্পী মহাদেব ঘোষ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ত্রিপুরার রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রীতা চক্রবর্তী ও নজরুল সংগীত শিল্পী সর্বানী দাস দত্তকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এরপর সম্মেলক সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় পরিবেশনা পর্ব। অনেকগুলো কণ্ঠ মিলে যায় এক সুরে। সম্মিলিত কণ্ঠে গীত হয় ‘বিশ্ববীণা রবে বিশ্বজন মোহিছে’, ‘ওহে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল’, ‘আহা আজি এ বসন্তে’, ‘আজি দখিন দুয়ার খোলা’ ও ‘বসন্তে ফুল গাঁথল’। শ্রোতার মাঝে স্নিগ্ধতার পরশ ছড়িয়ে সম্মেলক সংগীত শেষে শুরু হয় একক কণ্ঠের পরিবেশনা। শারমিন আক্তার স্বর্ণা গেয়ে শোনান ‘ও আমার চাঁদের আলো’। ময়না রাণী দাসের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় ‘আজ জ্যোত্স্না রাতে’। শামীম আরা বেগম শুনিয়েছেন ‘বসন্তে আজ ধরার চিত্ত’ শিরোনামের সংগীত। মাকসুদ জামিল তুলির গাওয়া গানের শিরোনাম ছিল ‘যদি তারে নাই চিনি গো’। কেয়া হায়দারের কণ্ঠে গীত হয় ‘একটুকু ছোঁয়া লাগে’। সাবিকুন নাহার শুনিয়েছেন ‘মোর বীণা ওঠে’। দখিনা বাতাসের বারতা ছড়িয়ে মানসী সাধু গেয়েছেন ‘এই উদাসী হাওয়ার পথে পথে মুকুলগুলি ঝরে’। লিলিয়েন পাল নীলা শুনিয়েছেন ‘ধীরে ধীরে বও’। এছাড়াও একক কণ্ঠে গান শোনান সাঈদ মাহমুদ শুভ, আশরাফুল করিম চৌধুরী প্রমুখ।
ভারতীয় শিল্পী কবিতা শেঠের গানে মুগ্ধ শ্রোতা
ভারতের জনপ্রিয় শিল্পী কবিতা শেঠ গতকাল গান শোনালেন বাংলাদেশের দর্শক-শ্রোতাদের। তার সুফি ধারার জনপ্রিয় গানগুলো গেয়ে শোনালেন তিনি। জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে তার একক গানের সন্ধ্যার আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। প্রায় দুই ঘণ্টার পরিবেশনায় কবিতা মুগ্ধ করেন দর্শক-শ্রোতাদের। মূলত সুফি ঘরানার এ শিল্পী গেয়ে শোনান বলিউড চলচ্চিত্রে তার গাওয়া গানগুলো। সংগীত সন্ধ্যার শুরুতেই ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক ড. নীপা চৌধুরী শিল্পী কবিতা শেঠকে পরিচয় করিয়ে দেন দর্শক-শ্রোতাদের কাছে। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর।
