মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টার ভাংচুর ও লুটপাট করেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এ সময় ৪ জন আহতসহ বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেনকে লাঞ্চিত করা হয়। রবিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
কলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ সিদ্দুকুর রহমান ভিজিডি কার্ড এর জন্য রোকেয়া বেগমের নাম প্রস্তাব করে আমার নিকট সুপারিশ করে। কিন্তু আগের অর্থ বছরে রোকেয়া বেগমের নাম থাকায় তার বদলে সংশ্লিষ্ট মহিলা মেম্বার রহিমা বেগম নাম ভিজিডি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই তালিকা মোতাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতির সুপারিশকৃত ব্যক্তি ভিজিডির চাল বুধবার পায়নি। এ নিয়ে সে রবিবার আমার কার্যালয়ে এসে তর্ক শুরু করে।
এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দুকুর রহমান, তার পুত্র রুবেল, ভাতিজা মুফাজ্জল, উলাইল গ্রামের বাবুর পুত্র রাফিসহ ৩৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী রবিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে আক্রমণ করে। তারা দরজা ভেংগে সেন্টার ভাংচুর করে এবং লুটপাট করে। এতে জন্মনিবন্ধন করতে আসা মঞ্জু, ইয়ামিন, রিপন, স্বপন মারাত্তক আহত হলে তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
কলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যন মোঃ জাকির হোসেন আরো জানান, তারা ডিজিটাল সেন্টারে ভাংচুর করে আমার কার্যালয়ে এসে আমাকে লাঞ্চিত করে।
কলিয়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা পরিচালক মোঃ সোহেল রানা প্রশ্ন, ভিজিডি কার্ড নাম অন্তর্ভুক্ত করাকে কেন্দ্র করে আমার সেন্টার কেন ভাংচুর হবে? তারা আমার একটি ল্যাপটপ, পিসি, প্রিন্টার, স্ক্যানার, ফটোকপি মেশিন ভাংচুর করে এবং আরেকটি ল্যাপটপ লুট করে নিয়ে যায়। সরকারি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নষ্ট করে দিয়েছে তারা।
এ ব্যাপারে দৌলতুপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কানিজ ফাতেমা জানান, ডিজিটাল সেন্টার ভাংচুর করেছে এমন সংবাদ শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাবার জন্য রওনা দিয়েছি।
এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ ডিজিটিাল সেন্টার উদ্যোক্তা ফোরামের সভপতি মোঃ এনায়েত করিম টিটু জানান, ভিজিডি কার্ডের নাম নিয়ে আমাদের ডিজিটাল সেন্টার ভাংচুর করতে পারে না। আমারা এর বিচার চাই।
ইত্তেফাক/নূহু
