নানা সংকটে সুজাতপুর উচ্চ বিদ্যালয়

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০১৭, ০২:০২

জেলায় দাগনভূঞা উপজেলার একনম্বর সিন্দুরপুর ইউনিয়নের সুজাতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বেহাল অবস্থায় আছে। ১৯৩৬ সালে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মরহুম আবদুল করিম, আবদুর রহিম ও আবদুল ওহাবের দেওয়া ৯৪ শতাংশ ও ক্রয়কৃত ৪২ শতাংশ জমির উপরে এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বিদ্যালয়ে এমপিওভুক্ত ১০ জন শিক্ষক, খণ্ডকালীন পাঁচজন শিক্ষক ও চতুর্থ শ্রেণির চারজন কর্মচারী দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা এক হাজার একশ’জন এবং গত কয়েক বছর ধরে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল ৯৯ ভাগ পাস করার পরও এ বিদ্যালয়ের অবকাঠামোর বেহাল অবস্থা। এখানে নেই প্রয়োজনীয় ভবন ও আসবাবপত্র। ৮০ বছর আগের টিনশেড পুরনো একটি ভবনে গাদাগাদি করে ক্লাস নিতে হচ্ছে। ছোট্ট একটি দ্বিতল ভবন পরিত্যক্ত হওয়ায় এখানে শ্রেণি কার্যক্রম চলে না। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক সফিকুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের পড়ালেখার মান ও ব্যবস্থাপনা বর্তমানে ভালো। তবে ভবনের সংকুলান না থাকায় ১১শ’ শিক্ষার্থীর পাঠদানে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের বিদ্যোত্সাহী সদস্য মীর আহম্মেদ কাউছার জানান, এ অঞ্চলের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ১১শ’ শিক্ষার্থীর গুণগত শিক্ষার মানোন্নয়নে অবিলম্বে ছাত্রাবাস ও ভবন নির্মাণ জরুরি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হোসেন জানান, স্থান সংকুলানের কারণে লেখাপড়ার মানোন্নয়নে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। এ কারণে আমাদের দ্রুত একটি বহুতল ভবন প্রয়োজন। দাগনভূঞা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ইত্তেফাককে বলেন, সুজাতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন দপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/নূহু