সীতাকুণ্ডে গড়ে উঠা শিপ মালিকদের সংগঠন বিএসবিআরএ সংগঠনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নতুনভাবে গড়ে উঠা এএসআরবি সংগঠন হাইকোর্টে মামলা করলে আদালত তাদের মামলাটি খারিজ করে দিয়ে বিএসবিআরএ সংগঠনটিকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। গত রবিবার বিকাল ৩টায় এ ঘোষণা প্রদান করা হয়।
জানা যায়, ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ) একমাত্র বৈধ ট্রেডবডি বাণিজ্যিক সংগঠন হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এসোসিয়েশন অব শিপ রিসাইকেলিং ইন বাংলাদেশ (এএসআরবি) নামে বাণিজ্য সংগঠন লাইসেন্স ইস্যুকরণ এবং রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ কর্তৃক নিবন্ধীকরণ হয়। এতে করে এএসআরবি এর বিরুদ্ধে বিএসবিআরএ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে রিট পিটিশন মামলা দায়ের করে।
অপরদিকে রুলস- ২০১১ অনুযায়ী বিএসবিআরএ একটি বৈধ ট্রেডবডি কিনা এবং এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এএসআরবি সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম রাজা রিট পিটিশন দায়ের করে। রিট উভয়ের পিটিশনটি মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি মুইনুল ইসলাম চৌধুরী ও জেবিএম হাসানের বেঞ্চে শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়। সেখানে বলা হয়, অ্যাসোসিয়েশন অব শিপ রিসাইকেলিং ইন বাংলাদেশ (এএসআরবি) রুলস-২০১১ অনুযায়ী গঠিত হয়নি বিধায় এখন থেকে তারা ট্রেডবডি হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না এবং এএসআরবি’র কোন সদস্য স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করতেও পারবে না।
রায়ে আরো উল্লেখ করা হয়- এএসআরবি কর্তৃক ২টি রিট পিটিশন দায়েরের সময় রাজা কাশেম উক্ত সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না এবং পাশাপাশি বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)কে বৈধ সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন শিপ মালিক জানান, হাইকোর্ট কর্তৃক বিএসবিআরএ সংগঠনটি বৈধ ঘোষণা করায় স্ত্র্যাপ জাহাজের ব্যবসা আগের চেয়ে অনেক ভাল হবে এবং কাজের গতিও বাড়বে।
ইত্তেফাক/রাফাত
