সিংগাইর পৌরসভার সুফল পাচ্ছেন না নাগরিকরা

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৭, ০১:৪৮

১৭ বছর আগে নয়টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয় সিংগাইর পৌরসভা। ইউনিয়ন থেকে পৌরসভা হওয়ায় উন্নয়নের আশায় বুক বেঁধেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু পৌর নাগরিক হলেও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত হয়নি তাদের। অথচ বেড়েছে করের বোঝা। মশা মাছির যন্ত্রণা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ জলের অভাব আর নোংরা পরিবেশের কারণে দুর্বিসহ জীবন কাটছে পৌরবাসীর।

এদিকে বেশির ভাগ এলাকায় সড়ক বাতি নেই, নেই কোনো চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা। হাসপাতালে ডাক্তাররা অবস্থান করেন না। ড্রেনের ঢাকনা নেই। বৃষ্টি নামলেই রাস্তা ও হাট-বাজারে যাওয়া যায় না। আছে শুধু উন্নয়ন কাজে ঠিকাদারদের সঙ্গে পৌর কর্তৃপক্ষের সিন্ডিকেট করে লুটপাটের ব্যবস্থা। যার ফলে রাস্তার কাজও মানসম্মত হয় না। অপরদিকে পেশাগত কারণে মেয়র জেলা শহরে ব্যস্ত থাকায় পৌরসভার কাজে তেমন সময় দিতে পারেন না। মেয়র না থাকলে স্টাফরাও নিয়মিত অফিস করেন না। ফলে সেবা নিতে আসা পৌরবাসীকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি বারেক খান বলেন, এখানে সপ্তাহে দুদিন হাট বসে।  লাখ লাখ টাকা আয় করা হচ্ছে এ হাট-বাজার থেকে। অথচ উন্নয়নের জন্য কোনো নজর নেই।

শিক্ষক আবুল হোসেন ও মিল্টন খন্দকার জানান, তাদের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তাটির এমন বেহাল অবস্থা যে বৃষ্টি নামলে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও দুস্কর। এ ব্যাপারে বার বার মেয়রকে বলা হয়েছে। কাজ হয় না।

পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূইয়া জয় বলেন, সব কাজেরই টেন্ডার হবে এবং তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।

 

ইত্তেফাক/নূহু