পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা দেওয়ায় দুলালী রানী মিস্ত্রী (২২) নামে এক গৃহবধূকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেছে স্বামী।
সোমবার দুপুরে মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ছোট শিংগা গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করলে অভিযুক্ত স্বামী রিপনকে পুলিশ আটক করে। রিপন মিস্ত্রী ছোট শিংগা গ্রামের মাখম চন্দ্র মিস্ত্রীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ছোট শিংগা গ্রামের মাখম চন্দ্র মিস্ত্রীর ছেলে রিপন মিস্ত্রীর সঙ্গে গত ৯ বছর আগে উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের শীতলপুর গ্রামের নারায়ণ মণ্ডলের মেয়ে দুলালী রানীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রিপন মিস্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলে আসছিল। রবিবার গভীর রাতে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত রিপন স্ত্রী দুলালীর গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের মেঝেতে ফেলে রাখে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহ নেওয়াজ জানান, লাশের গলায় আঘাতের আলামত রয়েছে। গৃহবধূর স্বামীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাসে তিনি স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
ইত্তেফাক/ইউবি
