পোলট্রি খামারে বিষাক্ত পদার্থ মেশানো খাবার কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করুন

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৯, ২২:১৩

দেশে উত্পাদিত হাঁস-মুরগি-মাছের শরীরে মিলছে এক ধরনের বিষাক্ত পদার্থ। যা হাঁস, মুরগি ও মাছের শরীরে প্রবেশ করেছে খাবারের মাধ্যমে। বিভিন্ন ধাতু ও রাসায়নিক সমৃদ্ধ বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য থেকে উত্পাদিত খাবার অধিক মুনাফার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে পোলট্রি খামারগুলোতে। যার ফলে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ক্যান্সারে। মৃত্যুঝুঁকিতে গর্ভবতী মা ও শিশু। বিকল হচ্ছে কিডনি, লিভার, ব্রেন। এ ধরনের ভয়ংকর অপরাধ দমন করতে হলে ট্যানারি, পশুর খাদ্য উত্পাদনের কারখানা, পশুপালনের খামার—এই তিনটি স্থান কঠোর নজরদারির আওতায় আনতে হবে। মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থ মেশাবে যারা তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার ঘোষণা করা হোক। যারা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে অপরাধীকে ধরিয়ে দিতে, তাদের পুরস্কৃত করতে হবে। সরকার নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। এ অবস্থায়, শাস্তির বিধান কঠোর করে জরিমানার অঙ্ক বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে এ ধরনের অপরাধে লিপ্ত পশুর খামার ও পশুখাদ্য উত্পাদনের কারখানা বন্ধ করে দিতে হবে সিলগালা করে। বিষয়টির প্রতি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আব্বাস উদ্দিন আহমদ, ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়, সদর, সিলেট ৩১০০