কালিকাপুরের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত

আপডেট : ০৩ মে ২০১৭, ১৫:২০

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুরে অবস্থিত একমাত্র বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি অবকাঠামোসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। এছাড়া বিদ্যালয় কক্ষে পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁটি থাকায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষকরা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। খুঁটিটি অপসারণের (স্থানান্তরের) জন্য পল্লী বিদুত্যের এ জি এম বরাবর লিখিত অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
IMG0
জানা গেছে, বিদ্যালয়টির বাউন্ডারি ওয়াল, অবকাঠামো নির্মাণ ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে দেখা গিয়েছে, উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে সমাজ সেবক ও শিক্ষক ছফিদুল ইসলাম ৩৩ শতাংশ জমির ওপরে ২০০১ সালে কালিকাপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার ৭ বছর পর ২০০৮ সালের জুন মাসে সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে বিদ্যালয়টিকে সরকারীকরণ করা হয়। বিদ্যালয়টিতে প্রস্তুতি মূলক প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও বৃত্তি মূলক চারটি শাখায় ১১০ জন শিক্ষর্থী, ১০জন শিক্ষক ও ২জন অফিস সহায়ক রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মুকুল হোসেন জানান, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর জেলা পরিষদ থেকে ৫০ হাজার, নীলফামারী ০৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী ফারুক কাদেরের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫০হাজার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ১ লাখ ৫০হাজার টাকা অনুদান পাওয়া হয়। সেই টাকা দিয়ে ৩টি আধাপাকা কক্ষ ও একটি টিনশেট ঘর নির্মাণ করা হয়।

ঘরগুলোর একটিতে শিক্ষকদের কমন রুম ও চারটিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়া হয়। কিন্তু বিদ্যালয়টিতে বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় ও পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ না করায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষকেরা।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসার (এ জি এম) কামাল হোসেন বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। অভিযোগের কপি হাতে পেয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি খুঁটিটি স্থানান্তর করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, মিটিংয়ের ব্যস্ততায় এখন কথা বলতে পারছেন না, পরে কথা বলবেন।

ইত্তেফাক/নূহু