সুজন ও তাসনিমকে ১০ বছর নিষিদ্ধ করল বিসিবি

আপডেট : ০২ মে ২০১৭, ১৯:৫৫
গত মাসে ঢাকা দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে বিতর্কিত ভূমিকা রাখায় ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুনামক্ষুন্ন’ করার দায়ে দেশের দুটি ক্লাব ও দলের কোচ, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
 
এই ঘটনায় তাসনিম হাসান ও সুজন মাহমুদকে ১০ বছর করে ও তাদের ক্লাব লালমাটিয়া ক্লাব ও ফাইটার স্পোটিং ক্লাবকে আজীবন ঢাকা লিগ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দুই দলের অধিনায়ক, ম্যানেজার ও কোচকেও পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটাতে হবে।
 
ঢাকা দ্বিতীয় বিভাগ লিগে লালমাটিয়া ও অক্সিওম ক্রিকেটারসের মধ্যকার ম্যাচে বোলার সুজন মাহমুদ মাত্র ৪ বলে ৯২ রান দিলে সাড়া পড়ে যায় গোটা ক্রিকেট বিশ্বে। এরপরই ঘটনা তদন্তে বিসিবি একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে।
 
তদন্তে বিসিবি গঠিত কমিটি দেখতে পায় যে, লালমাটিয়া ও অক্সিওমের বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিনই ইন্দিরা রোড ক্রিড়া চক্রের বিপক্ষে একটি ম্যাচে পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিং এর অভিযোগে ফিয়ার ফাইটারর্স এর বোলার তাসনিমও ১.১ ওভারেই ৬৯ রান দিয়েছিল।
 
দুটি ম্যাচেই আম্পারের দায়িত্ব পালনকারী আম্পায়ার শামসুর রহমান ও আজিজুল বাড়ীকে নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তাদেরকে ছয় মাসের জন্য ম্যাচ পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
 
তদন্ত কমিটির সদস্য ও বিসিবি পরিচালক শেখ সোহেল বলেন, কমিটি ওই দুটি ম্যাচের সঙ্গে সংশ্লিস্ট প্রত্যেকজনের সঙ্গে কথা বলেছে। বোলার সুজন ও তাসনিম তাই করেছে যা তাদেরকে নিজ নিজ টিম ম্যানেজমেন্ট নির্দেশনা দিয়ে গেছে।
 
সোহেল বলেন, ‘লিগের প্রথম দিন থেকেই বলা হয়েছে এ ধরনের কোন কাজ সহ্য করা হবে না। তবুও তারা আসলে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সুনামক্ষুন্ন করেছে।’
 
তিনি আরো বলেন, টিম ম্যানেজমেন্টের নির্দেশনা ছাড়া কোন বোলারই এ ধরনের কাজ করতে পারে না। এই ঘটনায় কোন পাতানো ম্যাচ, কিংবা টাকা পয়সা জড়িত ছিল না। পুরো তদন্ত শেষে দেখা যায় শুধু বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
 
ইত্তেফাক/রেজা