যশোরের মণিরামপুরে হত্যা মামলার আসামি আতাউর রহমান (৩০) দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। নিহত আতাউর মণিরামপুর উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামের কাশেম আলী মোড়লের ছেলে ও একই এলাকার যুবলীগ কর্মী মনোয়ার হোসেন হত্যা মামলার আসামি। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ তার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে।
মণিরামপুর থানার ওসি মোকাররম হোসেন জানান, মঙ্গলবার ভোররাতের দিকে মণিরামপুর উপজেলার বাড়িয়ালি নামক স্থান থেকে পুলিশ আতাউরের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ মণিরামপুরের বাগডাঙ্গা গ্রামের যুবলীগ কর্মী ও নির্মাণ শ্রমিক মনোয়ারকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন পর তার মৃত্যু হয়। এই মনোয়ার হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন আতাউর। মনোয়ার হত্যাকাণ্ডের পর বেশিরভাগ সময়েই মণিরামপুরের বাইরে থাকতেন আতাউর। সম্প্রতি তিনি গ্রামে যায়। সোমবার রাত ৮টার দিকে তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখর চন্দ্রের বাড়িতে যান। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে করে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে পাড়িয়ালি নামক স্থানে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে ফেলে রেখে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
ওসি মোকাররম হোসেন আরও জানান, ওই এলাকায় গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে দীর্ঘদিন ধরে। এই বিরোধে মনোয়ার হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এই মামলার আসামি ছিলেন আতাউর। এবার হত্যার শিকার হয়েছেন আতাউর নিজেই। ধারণা করা হচ্ছে, স্থানীয় ওই বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
