‘ডিজিটাল মিডিয়ার নতুন চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতায় সচেতন হতে হবে’

আপডেট : ০৪ মে ২০১৭, ২১:৩১
ডিজিটাল মিডিয়ার নতুন চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতার বিষয় সচেতন হতে আহবান করেন বাংলাদেশ ও ভারতের খ্যাতিমান গণমাধ্যম কর্মীরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইন্দো-বাংলা ডিজিটাল মিডিয়ার হুমকি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা ।
 
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে কমনওয়েলথ জানার্লিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ) বাংলাদেশ অধ্যায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। আরো বক্তব্য রাখেন ভারতের টেলিগ্রাফের নয়াদিল্লী ব্যুরো চিফ জয়ন্ত রায়। ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট হাসান শাহরিয়ার,জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, সিজেএ-এর নতুমহেন্দ্র ভেদ, প্রথম আলোর জয়েন নিউজ এডিটর আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ। সিজেএ-এর বাংলাদেশ অধ্যায়ের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্তের সভাপতিত্বে সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন,সিজেএফ সদস্য মোস্তাফা জব্বার। 
 
প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ডিজিটাল মিডিয়া বা অনলাইন নিউজ পোর্টাল এখন সময়ের দাবি। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মাধ্যম অধিক জনপ্রিয়। তবে প্রান্তিক মানুষের কাছে এখনও তা পৌছে যেতে পারেনি। তিনি বলেন বিশ্বে প্রিন্ট মিডিয়া কমছে। অনলাইন মিডিয়া বাড়ছে। তাই আমাদের এর নেতিবাচক প্রসারের বিষয় সর্তক হতে হবে।
 
জয়ন্ত রায় বলেন সমগ্র বিশ্ব এখন অনলাইন ভিত্তিক মানুষ এখন আর টিভি চ্যানেল পত্রিকা খুঁজতে চায় না। তারা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে যেখানে আছেন সেখান থেকে আপডেট থাকতে চান। হাসান শাহরিয়ার বলেন, আমাদের প্লানিং করতে হবে কিভাবে আমরা প্রিন্ট মিডিয়াকে বাঁচিয়ে রাখবো। বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বের নির্বাচনগুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিশেষ প্রভাব ফেলছে। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক বড় সোর্সের কাজ করে। তবে এক্ষেত্রে সংবাদ কতটা বস্তুনিষ্ঠ তা তা যাচাই তবে দেখতে হবে।
 
আব্দুল কাইয়ুম বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আরও দশ বছর সময় প্রিন্ট সংস্করণ রাজত্ব করবে। আমাদের সব সময় আপডেট সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। মূল প্রবন্ধে বলা হয় ২০০৮ সালে দেশে ১২ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী থাকলে বর্তমানে তা ৬ কোটিতে পৌঁছে। ১৩ কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে ৪ কোটি মানুষ আছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাই যেমন নতুন চ্যালেঞ্জ আছে আছে নতুন বাস্তবতা।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির