প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে ব্যস্ততম শিডিউলে কিছুক্ষণের জন্য থমকে গেছিল। নির্ধারিত অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা হয় সমুদ্রের পানিতে পা ভেজানোর। যা ভাবা তাই কাজ। প্রধানমন্ত্রী চলে যান সৈকতের পাশে অগভীর পনিতে। ইনানী সৈকতে থাকার সময়টুকু প্রধানমন্ত্রীকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখাচ্ছিল।
শনিবার কক্সবাজার-টেকনাফ ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ইননী সৈকতে আসেন। সেখানকার বে ওয়াচ রিসোর্টের সামনে সৈকতের বেলাভূমিতে মঞ্চ করে হয় এই অনুষ্ঠানটি। দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠান শেষ হলে শেখ হাসিনা সোজা সৈকতে নেমে যান। সেখানে কিছুক্ষণ খালি পায়ে হাঁটেন তিনি, নামেন পানিতেও।
IMG0
অনুষ্ঠানের বক্তব্যে শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে শৈশবে সমুদ্র দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানান। ইনানীর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিও। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনামলে অরণ্যঘেরা ইনানীর চেনছড়ি গ্রামে বেশ কিছু দিন ছিলেন বাংলাদেশের জাতির জনক। এসময় বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজারকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে গড়ে তোলার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।
সকালে বিমানের বোয়িং উড়োজাহাজ মেঘদূত-এ কক্সবাজার নামার পর ইনানী সৈকতে যান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে সেখানে বোয়িং বিমান চলাচল শুরু হল।
ইত্তেফাক/রেজা
